বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে আবারো বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। আর কোভিড-নাইন্টিনের সবচেয়ে সংক্রমণশীল ধরন ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট’ রাজধানী ঢাকায় ছড়িয়ে পড়লে দেশের করোনা পরিস্থিতির ফের অবনতি ঘটতে পারে-এমন আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
৮ই মে দেশে করোনার সর্বোচ্চ সংক্রমণশীল নতুন ধরণ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে আইইডিসিআর। সীমান্তবর্তী এলাকায় এই ভারতীয় ভ্যরিয়েন্টের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বা সামাজিক সংক্রমণ চলছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে আবারো বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। সেই সাথে সংক্রমণও উর্ধগতি।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, সংক্রমণের হার আগের চেয়ে আবার বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংক্রমণের হার আগে যেমন নিম্নমুখি ছিল সেটি আবার বেড়ে ১০ শতাংশ এর উপরে চলে গেছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট যেভাবে কাজ করেছিল আমাদেরকেও এই ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলা করতে হবে এটাই কিন্তু সাইন্স বলে।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ঢাকাসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংক্রমণ যেনো না ছড়াতে পারে তার জন্য এখনই সরকারকে ব্যাবস্থা নেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদওয়ান উর রহমান বলেন, সব রোগী যদি একসাথে হাসপাতালে আসে তাহলে হাসপাতালে সিট সংকট দেখা দিবে। এজন্য রোগীদের একবারে বেশি খারাপ অবস্থা না হলে হাসপাতালে আসা দরকার নেই। এতে কেউই ঠিকমত সেবা পাবে না। আর এইটা নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে লকডাউন এবং টেস্ট আইসোলেশনটা বাড়িয়ে গণ জমায়েত বন্ধ করে চলাচল সীমিত করতে হবে। যাতে করে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে না পারে।
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট পরীক্ষা করে জানিয়েছে, সংক্রমিত বিভিন্ন এলাকায় করোনাভাইরাসের চারটি ধরন পাওয়া গেছে। তবে এর মধ্যে ৮০ শতাংশই ভারতীয় ধরন বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।